Logo
×

Follow Us

সাক্ষাৎকার

সাক্ষাৎকার: আবু হেনা মোস্তফা কামাল

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় বাধা ভ্যালু চেইন ও সংরক্ষণব্যবস্থার ঘাটতি

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৪৬

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় বাধা ভ্যালু চেইন ও সংরক্ষণব্যবস্থার ঘাটতি

আবু হেনা মোস্তফা কামাল

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল দীর্ঘদিন ধরে কৃষি নিয়ে কাজ করছেন। নিজে কৃষিবিদ হওয়ায় কৃষির প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। কৃষিপণ্য উৎপাদন, ব্যবসা ও রপ্তানি নিয়ে কাজ করছেন। মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বাজারে বাংলাদেশি আম ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা, আন্তর্জাতিক হালাল পণ্যের প্রদর্শনী, হালাল সার্টিফিকেশন এবং কৃষিপণ্য রপ্তানিতে সরকারের করণীয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন।

কৃষিপণ্য রপ্তানি নিয়ে আপনি কাজ করছেন। বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের সম্ভাবনাকে কীভাবে দেখছেন?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: আমি প্রায় ২৫–২৬ বছর ধরে কৃষি নিয়ে কাজ করছি। দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। আমি নিজেও একজন কৃষি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী। আমার বিশ্বাস, কৃষক ও কৃষিকে এগিয়ে নিতে পারলে দেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষি আমাদের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। দেশের প্রায় দেড় কোটি কৃষক বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফলসহ কৃষিপণ্য উৎপাদন করছেন। দেশের চাহিদা মেটানোর পর যেসব পণ্য উদ্বৃত্ত থাকে, সেগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এই সুযোগ আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছি না। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির কৃষি উইংয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর আমার মূল লক্ষ্য হচ্ছে—কোন কোন কৃষিপণ্য বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা সম্ভব, কোথায় নতুন বাজার তৈরি করা যায় এবং প্রয়োজনে কোন পণ্য আমদানির সুযোগ রয়েছে, সেগুলো নিয়ে কাজ করা।

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে প্রধান বাধাগুলো কী?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের ভ্যালু চেইন এখনো ঠিকভাবে গড়ে ওঠেনি। কৃষক উৎপাদন করেন, কিন্তু উৎপাদনের পর পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং ও পরিবহনের পুরো ব্যবস্থাটি সমন্বিত নয়। কৃষকের উৎপাদিত পণ্য গ্রাম পর্যায়ে অনেক সময় ন্যায্য দাম পায় না। অথচ একই পণ্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী বা সিলেটের মতো শহরে বেশি দামে বিক্রি হয়। ফলে কৃষক তাঁর উৎপাদনের প্রকৃত মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। এ জন্য উৎপাদন বেশি হয় এমন এলাকাগুলোতে ছোট ও মাঝারি আকারের কোল্ড স্টোরেজ বা স্বল্পমেয়াদি সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। অনেক সময় কৃষকের পণ্য এক-দুই দিন সংরক্ষণ করতে পারলেই বাজারে ভালো দামে বিক্রি করা সম্ভব। এরপর সঠিক ভ্যালু চেইনের মাধ্যমে পণ্যটি জেলা, বিভাগীয় শহর কিংবা রাজধানীর বাজারে নেওয়া যেতে পারে।

রপ্তানির ক্ষেত্রে এই ভ্যালু চেইনের সমস্যা কীভাবে প্রভাব ফেলে?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: বিদেশে রপ্তানির জন্য শুধু ভালো পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না। সেটিকে নির্দিষ্ট মান অনুযায়ী সংগ্রহ, বাছাই, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং করতে হবে। পরিবহনের সময়ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে আমের কথা বলা যায়। বাংলাদেশে আমের বড় বাজার রয়েছে। কিন্তু রপ্তানির ক্ষেত্রে আমের গায়ে কালো দাগ, ফাঙ্গাস বা অন্য কোনো ক্ষত থাকলে বিদেশি ক্রেতারা তা গ্রহণ করতে চান না। বিমানবন্দরে পাঠানোর আগেও আমকে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখতে হয়। আমাদের দেশে আমের মৌসুমে তাপমাত্রা প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যায়। এই তাপমাত্রায় আমকে যথাযথভাবে কুলিং না করলে অল্প সময়েই গুণগত মান নষ্ট হতে পারে। তাই উৎপাদন এলাকা থেকে প্যাকেজিং সেন্টার, এরপর কুলিং চেম্বার এবং বিমানবন্দর পর্যন্ত একটি সমন্বিত ব্যবস্থা দরকার।

আম রপ্তানির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়াকে নিয়ে আপনারা কী ধরনের কাজ করছেন?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: গত ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বারের সঙ্গে আম রপ্তানি নিয়ে কাজ করছি। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের আমের চাহিদা আছে। ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, হিমসাগরসহ বিভিন্ন জাতের আম নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। মালয়েশিয়ার বাজারে মূল বিষয় হচ্ছে গুণগত মান। আমে ফাঙ্গাস বা কালো দাগ থাকা যাবে না। এ জন্য আমাদের প্যাকেজিং ও সংরক্ষণব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে হবে। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের গাবতলী  ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্টে আম নিয়ে কাজ হচ্ছে। আমের গুণগত মান ধরে রাখা এবং প্যাকেজিংয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে কাজ চলছে। আমরা চেম্বারের পক্ষ থেকে মূলত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরির কাজ করছি। এ বছর মালয়েশিয়ার একটি কৃষি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এসে প্রায় ১০০ মেট্রিক টন আম নেওয়ার বিষয়ে কাজ করেছে। আগামী বছর আরও বড় পরিসরে রপ্তানি করার লক্ষ্য রয়েছে।

মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস (মিহাস) এ ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: মিহাস—মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস—বিশ্বের অন্যতম বড় হালাল পণ্যের প্রদর্শনী। ২৩ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর কুয়ালালামপুরে এর ২২তম আসর অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ সেখানে অংশ নেবে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বারের উদ্যোগে সেখানে বাংলাদেশের একটি প্যাভিলিয়ন থাকবে। আমাদের প্রায় ৫০ জন প্রতিনিধি যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং বাংলাদেশ থেকে ১০টি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে স্টল নিশ্চিত করেছে। আমরা এই মেলায় শুধু পণ্য প্রদর্শন করতে চাই না; বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে চাই। বিশেষ করে আমসহ কৃষিপণ্যের জন্য নতুন ক্রেতা খুঁজে বের করা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। আমরা অন্তত ২০ জন বড় আম ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরির চেষ্টা করব।

হালাল সনদের সঙ্গে কৃষিপণ্যের রপ্তানির সম্পর্ক কী?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: হালাল সার্টিফিকেশন এখন আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মাংসসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা বিভিন্ন পণ্যের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হালাল সনদের ব্যবস্থা করা গেলে আমাদের রপ্তানি আরও বাড়তে পারে। আমের ক্ষেত্রে অবশ্য হালাল সনদের প্রয়োজন নেই। কারণ আমে এমন কোনো উপাদান ব্যবহার করা হয় না, যা হালালের প্রশ্ন তৈরি করে। তবে অন্যান্য কৃষিপণ্য ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের হালাল সনদের ব্যবস্থা করা গেলে নতুন বাজার তৈরিতে তা সহায়ক হবে। আমরা বাংলাদেশে আগামী বছরের মার্চে একটি হালাল মেলার আয়োজনের পরিকল্পনা করছি। এর মাধ্যমে মালয়েশিয়ার হালাল ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার চেষ্টা থাকবে।

কৃষিপণ্যের রপ্তানিতে সংরক্ষণব্যবস্থা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিপণ্য পচনশীল। উৎপাদনের পর দ্রুত ঠান্ডা করা, সংরক্ষণ ও সঠিকভাবে প্যাকেজিং করা না গেলে বিদেশের বাজারে পৌঁছানোর আগেই পণ্যের মান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে বিমানভাড়া ও ফ্রেইট চার্জ। একটি কেজি আম বিদেশে পাঠাতে যদি পরিবহন ব্যয়ই কয়েক ডলার হয়ে যায়, তাহলে কৃষকের কাছ থেকে কম দামে আম কিনেও রপ্তানি করে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করা কঠিন। তাই সরকার, বিমান পরিবহনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, রপ্তানিকারক, চেম্বার ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কৃষিপণ্য রপ্তানির জন্য বিশেষ পরিবহন সুবিধা বা যৌক্তিক ফ্রেইট চার্জের ব্যবস্থা করা গেলে আমরা অনেক দূর এগোতে পারব।

কৃষক যাতে রপ্তানির সুবিধা পান, সে জন্য কী করা দরকার?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: কৃষক ন্যায্য দাম না পেলে উৎপাদনে আগ্রহ হারাবেন। আমরা প্রায়ই দেখি, কোনো একটি পণ্যের দাম এক বছর বেশি হলে পরের বছর কৃষক ওই পণ্যের আবাদ বাড়িয়ে দেন। তখন উৎপাদন বেড়ে যায়, কিন্তু বাজার ও সংরক্ষণব্যবস্থা প্রস্তুত না থাকায় দাম পড়ে যায়। ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ জন্য শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, বাজার ও ভ্যালু চেইনও তৈরি করতে হবে। কৃষকের উৎপাদিত পণ্য ন্যায্য দামে কিনে প্রক্রিয়াজাত, প্যাকেজিং ও রপ্তানির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে চুক্তিভিত্তিক চাষ বা নির্দিষ্ট রপ্তানি বাজারের জন্য কৃষককে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে। কৃষকের আয় বাড়লে তিনি পরের বছর আরও ভালোভাবে উৎপাদনে উৎসাহিত হবেন। শেষ পর্যন্ত এর সুফল পুরো অর্থনীতিতে পড়বে।

বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ কোথায় দেখছেন?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: বাংলাদেশের বড় একটি সুযোগ হচ্ছে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী। মালয়েশিয়াতেও বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি আছেন। তাঁরা দেশের ফল, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের জন্য আগ্রহী। একই সঙ্গে শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের বাজার নয়, স্থানীয় ভোক্তাদের বাজারেও আমাদের প্রবেশ করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে কৃষিপণ্যের বড় বাজার রয়েছে। আমাদের আম, সবজি ও অন্যান্য পণ্যের স্বাদ ও বৈচিত্র্য আছে। এখন প্রয়োজন আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা এবং সেই বাজারের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি করা।

এ ক্ষেত্রে সরকারের করণীয় কী?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: সরকারকে উৎপাদন থেকে রপ্তানি পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, চেম্বার এবং বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। উৎপাদন এলাকায় কোল্ড স্টোরেজ, প্যাকেজিং ও প্রি-কুলিং সুবিধা বাড়াতে হবে। বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত কুলিং চেম্বার দরকার। রপ্তানির ক্ষেত্রে ফ্রেইট ব্যয় কমাতে উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান ও সনদ পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। আমাদের প্রচুর কৃষিপণ্য আছে, কিন্তু শুধু উৎপাদন করলেই হবে না—পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করে তুলতে হবে।

আপনার মতে কৃষিপণ্য রপ্তানি কি দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে?

আবু হেনা মোস্তফা কামাল: অবশ্যই। আমাদের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয় ও তৈরি পোশাক বড় ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে কৃষিপণ্য রপ্তানিও বড় একটি খাত হতে পারে। যেমন আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। দেশে বছরে প্রায় ২৪ থেকে ২৬ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয়। দেশের আমের অভ্যন্তরীণ বাজারের আকার প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা। অথচ বিপুল উৎপাদনের বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে মোট উৎপাদনের মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশ আম রপ্তানি হয়। অর্থাৎ উৎপাদনের তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের আমের উপস্থিতি এখনও অত্যন্ত কম। বিপুল পরিমাণ আম ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দেশে ভোগ হয়, আবার একটি অংশ নষ্টও হয়। আমরা যদি উৎপাদনের একটি অংশও প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে পাঠাতে পারি, তাহলে কৃষক যেমন ন্যায্য দাম পাবেন, তেমনি দেশের রপ্তানি আয়ও বাড়বে। আমার বিশ্বাস, সরকার, কৃষক, ব্যবসায়ী, চেম্বার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যম একসঙ্গে কাজ করলে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের বড় দরজা খুলে যেতে পারে।


Logo