Logo
×

Follow Us

কৃষি

সুবর্ণচরে ৩৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

Icon

আরিফুর রহমান, সুবর্ণচর (নোয়াখালী)

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:৪৮

সুবর্ণচরে ৩৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের সহায়তায় ৩৫০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সুবর্ণচরের উদ্যোগে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-১ মৌসুমে আউশ ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি আউশ ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. মাশকুরুর রহমানের সঞ্চালনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য পূরণে কৃষকদের পাশে থেকে সরকার নানামুখী প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। আজকের এই বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচি তারই একটি অংশ।”

তিনি আরও বলেন, “আউশ ধান স্বল্প সময়ের মধ্যে উৎপাদনযোগ্য হওয়ায় এটি কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক। পতিত জমি কাজে লাগিয়ে আউশ চাষ বাড়াতে পারলে কৃষি উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের খাদ্য ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে।”

তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান, সরকার প্রদত্ত এই সহায়তা যথাযথভাবে ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধিতে আন্তরিক হওয়ার জন্য। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রতি দিকনির্দেশনা দিয়ে বলেন, কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অধিক ফলন অর্জন করতে পারেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্যের মনোনীত প্রতিনিধি বেলায়েত হোসেন সুমন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপকারভোগী কৃষকরা।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমন ও বোরো ধানের পাশাপাশি স্বল্প জীবনকালীন আউশ ধানের আবাদ বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, আউশ ধানের জাতগুলো স্বল্প সময়ে ফলনশীল হওয়ায় কৃষকরা কম খরচে অধিক উৎপাদন করতে পারেন। এতে দেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

Logo